অধ্যায় ৯ · পদ প্রকরণ

সব্যয় / নাম পদ

সহজ করে বুঝি

শব্দ যখন বাক্যে বসে, তখন সে ‘পদ’ হয়ে যায়। মানুষ যেমন পরিবারে ভাগ — বাবা, মা, ভাই — পদও পাঁচ ভাগে ভাগ।

নাম বলে বিশেষ্য, নামের বদলে সর্বনাম, গুণ-দোষ বলে বিশেষণ, কাজ বলে ক্রিয়া, আর জোড়া লাগায় অব্যয়। একই শব্দ বাক্যভেদে ভিন্ন পদ হতে পারে — তাই বাক্যে তার কাজ দেখো।

বিশেষ্য

কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান, ভাব বা গুণের নাম।

  • ঢাকা, নদী, সততা, মানুষ

সর্বনাম

বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত পদ।

  • আমি, তুমি, সে, এটি, যিনি

বিশেষণ

বিশেষ্য/সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা বা সংখ্যা প্রকাশ করে।

  • ভালো ছেলে, লাল ফুল, দ্রুত গতি

বিশেষ্যের প্রকারভেদ

প্রকারপরিচয়উদাহরণ
সংজ্ঞাবাচক (নাম)নির্দিষ্ট নামঢাকা, রফিক, পদ্মা, কোরআন
জাতিবাচকশ্রেণি/জাতিমানুষ, গরু, নদী, পাখি
বস্তু/দ্রব্যবাচকপরিমেয় বস্তুপানি, লোহা, সোনা, দুধ
সমষ্টিবাচকসমষ্টি/দলসভা, জনতা, বহর, মালা
গুণবাচকগুণ/দোষমধুরতা, তারল্য, সততা
ভাববাচক (ক্রিয়াবাচক)কাজ/ভাবগমন, দর্শন, শয়ন

সর্বনামের প্রকারভেদ

প্রকারউদাহরণ
ব্যক্তিবাচকআমি, তুমি, সে, তারা
আত্মবাচকনিজে, স্বয়ং, খোদ, আপন
নির্দেশকএই, সেই, ইহা, উহা
অনির্দিষ্টকেউ, কিছু, কোনো, কেহ
প্রশ্নবাচককে, কী, কোন, কারা
সাপেক্ষ (সংযোগবাচক)যে-সে, যা-তা, যিনি-তিনি
সাকল্যবাচকসব, সকল, উভয়, তাবৎ

নিজে চেষ্টা করো

পদ প্রধানত কয় প্রকার ও কী কী?