৩৫তম BCSবাংলা সাহিত্যচর্যাপদ / প্রাচীন-মধ্যযুগ
সবচেয়ে বেশি চর্যাপদ পাওয়া গেছে কোন কবির?
- কলুইপা
- খশবরপা
- গভুসুকুপা
- কাহ্নপাসঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: কাহ্নপা
চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী তার তৃতীয় নেপাল ভ্রমণে নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং তাঁরই সম্পাদনায় ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে চর্যাপদের রচনাকাল ৬৫০-১২০০ খ্রিষ্টাব্দ এবং সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে ৯৫০-১২০০ খ্রিষ্টাব্দ। চর্যাপদের মোট পদ রয়েছে ৫০টি মতান্তরে ৫১টি এবং পদকর্তা ২৩/২৪ জন। তবে প্রাপ্ত পদের সংখ্যা সাড়ে ৪৬টি। চর্যাপদের ২৪, ২৫ ও ৪৮ নং পদ পাওয়া যায়নি এবং ২৩ নং পদটি খণ্ডিত আকারে পাওয়া গেছে। সর্বাধিক পদ রচয়িতা কাহ্নপা। তার রচিত পদসংখ্যা ১৩টি কিন্তু প্রাপ্ত পদসংখ্যা ১২টি। দ্বিতীয় সর্বাধিক পদ রচয়িতা ভুসুকুপা। তিনি ৮টি পদ রচনা করেন। তন্ত্রীপা রচিত কোনো পদ পাওয়া যায়নি (হারানো ২৫ নং পদ)।
চর্যাপদ / প্রাচীন-মধ্যযুগ — আরও প্রশ্ন
- চর্যাপদের খণ্ডিত পদগুলো তিব্বতি থেকে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেন-
- পুঁথি সাহিত্যে প্রাচীনতম লেখক কে?
- ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের অংশ নয় কোনটি?
- কোন মঙ্গলকাব্যে ঐতিহাসিক চরিত্র আছে?
- কোন কাব্যে আলাওল ব্যক্তিগত জীবনের কথা লিখেছেন?
- চর্যাপদের কবিরা ছিলেন-
- চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ করেন কে?
- ‘গীতগোবিন্দ’ কাব্যের রচয়িতা জয়দেব কার সভাকবি ছিলেন?